
Buy Skinless Color Bird Chicken – Antibiotic Free
Buy Organic Chicken Color Bird from Metromart Online- Skinless 1 gm
Choose quantity
Similar type of products
Description :
Frequently Asked Questions
রান্নার ধরন দিয়ে সিদ্ধান্তটা নেওয়া সহজ। প্রতিদিনের হালকা ঝোল, স্যুপ বা দ্রুত রান্নার জন্য ব্রয়লার সুবিধাজনক, কারণ সেটি তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে নরম হয়ে যায়। কিন্তু কষা মাংস, ভুনা, রেজালা বা বিরিয়ানির মতো রান্নায় যেখানে মাংসের টুকরো আস্ত থাকা দরকার এবং ঝোলে গভীর স্বাদ চান, সেখানে কালার বার্ড অনেক ভালো ফল দেয়। অনেক পরিবার তাই দুটোই রাখেন — দৈনন্দিন রান্নায় ব্রয়লার, আর বিশেষ আয়োজনে কালার বার্ড।
কালার বার্ড ধরনের মুরগি ওজনে পূর্ণতা পেতে ব্রয়লারের চেয়ে বেশি সময় নেয়, ফলে খামারে পালন খরচ ও সময় দুটোই বাড়ে। এর সঙ্গে যোগ হয় জিরো এন্টিবায়োটিক পলিসি, ফ্রি রেঞ্জ বিচরণের ব্যবস্থা এবং নিজস্ব কারখানায় তৈরি নিয়ন্ত্রিত ফিড — যা সাধারণ পোল্ট্রি পালনের চেয়ে ব্যয়বহুল। এই পার্থক্যটাই দামে প্রতিফলিত হয়, তবে যেহেতু প্রতি গ্রাম হিসেবে কিনতে পারছেন, বাজেট অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করে নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
স্বাদ ও টেক্সচারের দিক থেকে দেশি মুরগির অনেকটা কাছাকাছি অনুভূতি পাবেন — মাংস ঘন, ঝোল বেশি স্বাদযুক্ত হয়। তবে হুবহু দেশি মুরগি নয়, তাই প্রত্যাশাটা "দেশির খুব কাছাকাছি" ধরে রাখাই বাস্তবসম্মত। দেশি মুরগির তুলনায় সরবরাহ নিয়মিত, পরিষ্কার-প্রসেস করা এবং দামে বেশ সাশ্রয়ী — এই তিনটি কারণেই অনেকে নিয়মিত এটি বেছে নেন।
এই প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক। Organik Chicken-এর জিরো এন্টিবায়োটিক পলিসি অনুযায়ী, বাচ্চা অবস্থা থেকে বাজারজাত করার আগ পর্যন্ত কোনো ধরনের এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয় না — এমনকি কোনো মুরগি অসুস্থ হলে চিকিৎসা হিসেবেও নয়। এর বদলে জোর দেওয়া হয় পরিষ্কার শেড, খোলা বিচরণ ও নিয়ন্ত্রিত ফিডের উপর, যাতে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাই কমে আসে।
প্রতি গ্রাম হিসেবে দাম হওয়ার সুবিধা হলো, বাড়তি কিনে ফ্রিজে ফেলে রাখার দরকার নেই। সাধারণ হিসেবে এক বেলার কারির জন্য প্রতিজনে ২০০–২৫০ গ্রাম যথেষ্ট, অর্থাৎ চারজনের পরিবারের জন্য ৮০০–১০০০ গ্রাম। মেহমান বা বিরিয়ানি-জাতীয় আয়োজনে প্রতিজনে ৩০০ গ্রাম ধরে হিসাব করলে ভালো হয়। কোয়ান্টিটি বক্সে পরিমাণ বসালেই মোট দাম সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাবে।
হ্যাঁ, ব্রয়লারের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগে — কারণ মাংসের ফাইবার তুলনামূলক শক্ত। কষানোর পর অল্প আঁচে ঢাকা দিয়ে রাখলে এবং প্রয়োজনে অল্প গরম পানি যোগ করলে ভেতর পর্যন্ত নরম হয়ে যাবে। সময় বাঁচাতে চাইলে রান্নার আগে দই ও আদা-রসুন বাটা দিয়ে ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে নিন, অথবা প্রেশার কুকারে ২–৩টি সিটি দিয়ে নিন।
গরম পানিতে ডিফ্রস্ট করা এড়িয়ে চলুন — এতে বাইরের অংশ নরম হয়ে গেলেও ভেতরটা জমে থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আগের রাতে ফ্রিজার থেকে নামিয়ে ফ্রিজের নরমাল অংশে রেখে দেওয়া। সময় কম থাকলে প্যাকেট বন্ধ অবস্থায় ঠান্ডা পানির পাত্রে ডুবিয়ে রাখুন এবং প্রতি ২০–৩০ মিনিটে পানি বদলান।
সঠিক নিয়মে ফ্রিজ করা মাংসের পুষ্টিগুণ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। জবেহর পর দ্রুত প্রসেস করে ফ্রিজ করা হলে মাংসের রস ও স্বাদ ভেতরেই আটকে থাকে। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন মাংস বারবার গলিয়ে আবার ফ্রিজ করা হয় বা তাড়াহুড়ো করে ভুল পদ্ধতিতে ডিফ্রস্ট করা হয় — তাই উপরের নিয়মগুলো মেনে চলাই আসল বিষয়।

.jpg)